১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | বুধবার | বর্ষাকাল | সন্ধ্যা ৭:৪৯
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ!
ভেড়ামারা রায়টায় বাঘ সন্দেহে মেছোবাঘকে পিটিয়ে হত্যা

ভেড়ামারা রায়টায় বাঘ সন্দেহে মেছোবাঘকে পিটিয়ে হত্যা

এস এম রওনক :
কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকা রায়টা মহলদার পাড়ায় মোঃ শহিদুল মলদারের পান বরজে আজ সকাল ১১ টার সময় বাঘ সন্দেহে মেছোবাঘ কে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে

এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, প্রত্যেক দিনের মতো আজও পান বরজে সকালে কাজ করতে গেলে বরজের ভেতরে বাঘ সদৃশ্য প্রাণীটিকে দেখতে পাওয়া যায়, আতঙ্কিত হয়ে তার সম্মুখে যেতেই আক্রমাত্মকভাবে তেড়ে আসে তার আক্রমণে প্রাণ বাঁচাতে অনেক ডাকাডাকি চেঁচামেচি করার পরে আশপাশের পান বরজে কর্মরত শ্রমিকরা ও লোকজন এসে মেছো বাঘটিকে পিটিয়ে আহত করলে পরে ঘটনাস্থলাই মারা যায়, এলকাবাসীর ধারনা মেছোবাঘটি নদী দিয়ে সাঁতরে এখানে এসেছে আর এটা আমরা বাঘ মনে করে আত্মরক্ষায় মারা হয়েছে যদি জানতাম এটা বাঘের মতো আক্রমণাত্মক নয় এবং এটা মেছো বিড়াল প্রকৃতির তাহলে কখনোই মারতাম না,

তথ্যসূত্র অনুযায়ী মেছোবাঘ (বৈজ্ঞানিক নাম: Prionailurus viverrinus) মাঝারি আকারের বিড়ালগোত্রীয় দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্তন্যপায়ী বন্যপ্রাণী। জনবসতি স্থাপন, কৃষিজমিতে রূপান্তর ও অন্যান্য কারণে বাঘরোলের আবাসস্থল জলাভূমিগুলো দিন দিন সংকুচিত ও হ্রাস পাওয়াই এর মূল কারণ। তাই আইইউসিএন ২০০৮ সালে মেছোবাঘকে বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করে।
মেছোবাঘের বিস্তৃতি ২০১৬ এর তথ্যানুযায়ী
বাংলাদেশের ১৯৭৪[২] ও ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[৩]

মেছোবাঘ সাধারণত জলাভূমি, বরাবর নদী, প্রবাহ, অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ, জলাভূমি, এবং ম্যানগ্রোভতে বাস করে। এদের উপস্থিতি সেখানকার জলাভূমির অবস্থার ভালো-মন্দ নির্ধারণে সাহায্য করে। এরা সাঁতারে পারদর্শী হ‌ওয়ায় এধরনের পরিবেশে সহজেই খাপ খাওয়াতে পারে। এদের গায়ে ছোপ ছোপ চিহ্ন থাকার জন্য চিতাবাঘ বলেও ভুল করা হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এটিকে সেই রাজ্যের ‘রাজ্য প্রাণী’ তকমা দেওয়া হয়েছে এবং এই রাজ্য বর্তমানে বাঘরোল সংরক্ষণে ও তাদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে আশার আলো দেখিয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024